HomeSuccess Storiesচাষ করেই বছরে ৫০ কোটি! অস্ট্রেলিয়ার মোটা বেতনের চাকরি ছেড়ে ভারতে বিশেষ...

চাষ করেই বছরে ৫০ কোটি! অস্ট্রেলিয়ার মোটা বেতনের চাকরি ছেড়ে ভারতে বিশেষ চাষ শুরু করেন রাজস্থানের সিদ্ধার্থ

প্রচুর মানুষ যেমন চাকরি করার স্বপ্ন দেখেন, তেমনি অনেক মানুষ আছেন যারা ব্যবসা করে প্রতিষ্ঠিত হতে চান। তবে এই দুই শ্রেণীর বাইরে‌ও এক শ্রেণীর মানুষ আছেন, যারা চাকরিও না ব্যবসা ও নয়, শুধু কৃষিকাজ করেই নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেন। ভাবছেন এও কি সম্ভব? হ্যাঁ সম্ভব। রাজস্থানের সিদ্ধার্থ চাকরি ছেড়ে দিয়ে চাষাবাদ করতে শুরু করেন। আজ চাষাবাদ করেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছেন তিনি। আজ বছরে তার ইনকাম ৫০ কোটি টাকা। তার এই জীবনী অন্যদের‌ও অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে।

আরও পড়ুন: বেকারদের জন্য সুখবর! রাজ্যে ৭০০০ রেশন ডিলার পদে নিয়োগ শুরু, আবেদন করে মাসিক লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করুন

সিদ্ধার্থ নিজের গ্রামেই প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন, উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি ব্যাঙ্গালোরে গিয়েছিলেন। এরপর কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে স্নাতক পাশ করেন তিনি। স্নাতক পাশ করার পর তিনি এমএনসি তে চাকরি পান। তবে সেখানে বেশিদিন চাকরি করেন নি তিনি, এরপর আর‌ও উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য অস্ট্রেলিয়াতে গিয়ে পৌঁছান। পড়াশোনা শেষ করবার পর তাকে অস্ট্রেলিয়াতে উচ্চ বেতনের চাকরি করার প্রস্তাব দেওয়া হয় কিন্তু সেটি ছেড়ে দিয়ে ভারতে চলে আসেন তিনি। ভারতে এসে তিনি চাষবাস করার পরিকল্পনা করেন। একটি সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে যে প্রায় তিন লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে তিনি যে ব্যবসা শুরু করেছিলেন আজ বর্তমানে সিদ্ধার্থর বিনিয়োগ প্রায় ৫০ কোটি টাকার বার্ষিক টার্নওভারে পরিণত হয়েছে।

হ্যাঁ চাষের জন্য‌ই এত আয় তার। বর্তমানে ভারতসহ বিশ্বের ২৫টি দেশে সিদ্ধার্থ তার উৎপাদিত দ্রব্য রপ্তানি করে। জৈব পদ্ধতিতে চাষ শুরু করেন তিনি। তবে শুরুর দিকে তার জৈব চাষ সম্পর্কে কোনো রকম জ্ঞান ছিল না, কারণ এর আগে তিনি কখনো চাষাবাদ‌ করেননি। এরপর চাষ করবার জন্য তিনি ইন্টারনেট ও বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করে তোলেন। অবশেষে ২০০৯ সালে সিদ্ধার্থ পালি থেকে তার ব্যবসা শুরু করেন ও অ্যাগ্রোনিক্স ফুড নামের একটি কোম্পানি তৈরি করেন। এরপর ৪০০০ স্থানীয় কৃষকদের নিয়ে তিনি একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ক তৈরি করেন।

আরও পড়ুন: রাজ্য স্কুলের নন টিচিং স্টাফ নিয়োগ! জেনে নিন আবেদন পদ্ধতি থেকে শূন্যপদের সংখ্যা সহ বিস্তারিত তথ্য!

এই স্থানীয় কৃষকদের সহায়তায় ও নিজের বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে আজ তিনি একজন সফল মানুষ হয়ে উঠেছেন। সিদ্ধার্থের জীবনী সকলকে অনুপ্রাণিত করে যে, এইভাবে‌ও শুরু করা যায়! শুধু উচ্চ পদস্থ চাকরি বা ব্যবসায় নয়, চাষবাস করলেও অর্থ ইনকাম করা যায়, প্রতিষ্ঠিত হ‌ওয়া যায়। সিদ্ধার্থ তাই আজ সকলের অনুপ্রেরণা!

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments