HomeSuccess Storiesকর্পোরেট সেক্টরের চাকরি ছেড়ে ব্যবসা! অদ্ভুত আইডিয়ায় ব্যবসা করে ২০ কোটির মালিক...

কর্পোরেট সেক্টরের চাকরি ছেড়ে ব্যবসা! অদ্ভুত আইডিয়ায় ব্যবসা করে ২০ কোটির মালিক এই ব্যক্তি!

কর্পোরেট সেক্টরে কঠিন পরিশ্রম করতে করতেই তিনি ভেবে ফেলেছিলেন এইবার স্বাধীন কিছু করবেন। যেমন ভাবা তেমন কাজ, কেরালার আলাপুঝার বাসিন্দা মানস মধু ভেবেছিলেন কর্পোরেট সেক্টরের কাজ না করে ব্যবসা করবেন তিনি। প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন খাদ্য শিল্পের সাথে যুক্ত হবেন, পরবর্তীতে অনলাইনে একটি আর্টিকেল পড়ে কেরালার ঐতিহ্যবাহী ফল নিয়ে ব্যবসা করবার বিষয়ে মনস্থির করে ফেলেন তিনি।

আরও পড়ুন: সপ্তম শ্রেণী পাশেই মিলবে সরকারি চাকরি! পশ্চিমবঙ্গের আপদ মিত্র প্রকল্পে খুব শীঘ্রই হতে চলেছে নিয়োগ

ব্যবসার করবার জন্য তার কাছে পছন্দের দুটি ফল ছিল কাঁঠাল ও কলা, তিনি ঠিক করেন তিনি কলার ব্যবসা করবেন। একটি অভিনব পরিকল্পনা নিয়ে ২০১৮ সালে চাকরি ছাড়েন তিনি, শুরু করেন নিজের ব্যবসা আর একবছর পর ২০১৯ এ তাদের কোম্পানি সবথেকে বড় ব্রেক পায়, এরপর মানসকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। চারটি ভিন্ন স্বাদে কলার চিপস তৈরি করে বিক্রি করতে থাকেন তিনি।

নিজের ব্যবসার এই আইডিয়া কীভাবে এলো সে সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমি যখন আমার শিক্ষা ও কাজের জন্য অন্য রাজ্যে ভ্রমণ করতাম তখন আমার বাবা-মা আমার লাগেজে কলার চিপস প্যাক করতেন।” এরপর তিনি দেখলেন কেরলে খুবই কম ব্র্যান্ড আছে যারা একচেটিয়াভাবে কলার চিপস বিক্রি করেন। মানস মধুর কথায়,“আপনি যদি কেরালা থেকে অন্য জায়গায় ভ্রমণ করেন তবে এটি অবশ্যই সকালের খাবার হিসেবে খেতে হবে কিন্তু মজার বিষয় হলো খুব কম ছিল যারা একচেটিয়াভাবে কলার চিপস বিক্রি করতো আমরা স্থানীয় দোকান এবং বেকারির উপর নির্ভর করতাম। বিয়ন্ড স্ন্যাকস সেই ধারণাটি পরিবর্তন করতে এবং সারাদেশে প্রিমিয়াম মানের খাঁটি চিপস সরবরাহ করতে চেয়েছিল।”

আরও পড়ুন: গর্ভে সন্তান নিয়ে UPSC পরীক্ষায় উত্তীর্ণ! এই মহিলার সাফল্যের কাহিনী চমকে দেবে আপনাকেও

মানসের কোম্পানি এরপর কেরালা ও অন্যান্য দক্ষিণ ভারতের রাজ্যের কৃষকদের কাছ থেকে কলা সংগ্রহ করে এবং তারপর কোচিতে তাদের কারখানায় সে গুলোকে প্রক্রিয়া করে ইকমার্স প্লাটফর্ম, আউটলেট এবং সুপারমার্কেটের মাধ্যমে বিক্রি করে। এক্ষেত্রে কলার চিপসের আসল লবণযুক্ত স্বাদ ছাড়াও, পেরি পেরি, লবণ ও মরিচ ইত্যাদি স্বাদেও তৈরি করা হয়। বর্তমানে অ্যামাজন ফ্লিপকার্টের সবথেকে বেশি বিক্রি হওয়া স্নাক্স কলা চিপস হলো বিয়ন্ড স্নাক্স। তবে এই কোম্পানি শুরুর দিকে কয়েকটি খুচরো দোকানে রাখা হয়েছিল এবং সেখান থেকেই মানুষজনের বিপুল চাহিদা লক্ষ্য করা যায়। মানসের কথায়,“আমাদের গ্রামের সবচেয়ে ছোট প্যাকেটটি তখন ৬০ টাকা মূল্যে বিক্রি হয়েছিল।”

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments